গাজীপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত
কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও নগদ অর্থ প্রদান
উচ্চশিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থান ও গবেষণায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী
বিদেশি ছাগল পালনে তাক লাগিয়েছেন শ্রীপুরের ফরিদ, বছরে আয় ১৫ লাখ
শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে OBE কারিকুলামের সঠিক বাস্তবায়ন জরুরি: বাউবি উপাচার্য
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার বার্তা নিয়ে এলাকায় আবুল হাসেম
প্রতিটি মানুষের খাদ্যতালিকায় ডিম নিশ্চিত করতে হবে: গাকৃবি উপাচার্য
‘জামায়াতকর্মী মানেই সমাজকর্মী’—গাজীপুরে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ওসমান গনি
গাজীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতের মশারি বিতরণ
অধিভুক্ত সব কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

ঘর থেকেই শুরু হোক দুর্যোগ প্রস্তুতি, গড়তে হবে সহনশীল বাংলাদেশ, গাজীপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রস্তুতি
দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পরিবার থেকেই সচেতনতা ও প্রস্তুতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে গাজীপুরে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬। দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
‘ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গাজীপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আওলাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সোহেল রানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাজিব হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শাহ শিবলী সাদিক, গাজীপুর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম এবং গাজীপুর জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারি এম আশরাফ হোসেন টুলু।
এ ছাড়া ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের প্রতিনিধিরা এবং জয়দেবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আলোচনা সভায় দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের সর্বস্তরে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ঝুঁকি সম্পর্কে আগাম ধারণা, জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় জানা এবং নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বক্তারা বলেন, দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনা, জরুরি সহায়তা প্রদান এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তুতি ও পারস্পরিক সমন্বয় জরুরি। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে দুর্যোগবিষয়ক সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে পরিবার ও সমাজের অন্যদেরও প্রস্তুতির বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব। এ জন্য ঘর ও আশপাশের পরিবেশের ঝুঁকি চিহ্নিত করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপদে থাকার উপায় সম্পর্কে ধারণা রাখা প্রয়োজন।
দুর্যোগের ঝুঁকি ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিই আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের অন্যতম লক্ষ্য। নিজ নিজ ঘর থেকেই নিরাপত্তা ও প্রস্তুতির উদ্যোগ শুরু হলে একটি দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে।
আপনার মতামত লিখুন :