ঘুরে এলাম পাবনার মনমথপুর
মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান : বিমানবন্দরে গার্ড অব অনার
শেখার কোনো বয়স নেই: উপাচার্যের নেতৃত্বে আজীবন শিক্ষায় বাউবির নতুন অঙ্গীকার
গাজীপুরের অরণ্যঘেরা গ্রামে পৌঁছাল ফ্যামিলি কার্ড : উচ্ছ্বসিত নারী উপকারভোগীরা
হাসপাতাল পরিদর্শনে উঠে এলো আইসিইউ, ডায়ালাইসিস ও পরিচ্ছন্নতার সংকট
শ্রীপুরে যুব জামায়াতের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে ইতিহাসের দলিল নিয়ে পিআইবির প্রদর্শনী
২৫ লাখের বেশি কর্মসংস্থান নিয়ে দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি গাজীপুর: জেলা প্রশাসক
পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিতের আশ্বাস, অপরাধ দমনে কঠোর বার্তা জিএমপি কমিশনারের
ছোট উদ্যোগই একদিন বিশ্ব জয় করে— ডিসি গাজীপুর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কেন্দ্রীয় কমিটি ও হল সংসদসমূহের নির্বাচন ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর দেশের ছাত্ররাজনীতিতে প্রথম বৃহৎ নির্বাচনী আয়োজন। এই নির্বাচনের ২৮টি পদে মোট ৬৫৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলো তবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১০৬ জন।
ডাকসুতে পূর্ববর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালের ১১ মার্চ, যেখানে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের (বর্তমানে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ) নুরুল হক নুর সহসভাপতি (ভিপি), ছাত্রলীগের গোলাম রাব্বানী সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও ছাত্রলীগের সাদ্দাম হোসেন সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২৫ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ও হল সংসদসমূহে ছাত্রলীগ-সমর্থিত প্রার্থীদের ব্যাপক আধিপত্য ছিল। উক্ত সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও গত কয়েক বছরে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
২০২৫ সালের ৮ আগস্ট শতাধিক ছাত্রছাত্রী ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানারে ঢাবি হলসমূহ থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের হল কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদ জানায়। আন্দোলনকারীরা হলভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তোলে, যাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সম্মতি জানিয়েছিল বলে জানা যায়। ছাত্রসংগঠনগুলো ঘটনাটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানায়, কিছু দাবি করে যে নির্বাচনকে সামনে রেখে হলভিত্তিক রাজনীতির নিষেধাজ্ঞাকে একটি “পপুলিস্ট দাবি” হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা হচ্ছে। পরবর্তীতে উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খানের সঙ্গে একটি সভায় বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ ও বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ ব্যতীত অধিকাংশ সংগঠন হলভিত্তিক রাজনীতি চালু রাখার পক্ষে অবস্থান নেয়।
এবারের নির্বাচনে ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন ভোটারের মধ্যে ছাত্রী ১৮ হাজার ৯৫৯ জন এবং ছাত্র ২০ হাজার ৯১৫ জন। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৮টি এবং হল সংসদের ১৩টি মিলিয়ে প্রতিটি ভোটারকে মোট ৪১টি পদে ভোট দিতে হবে। ভোট গ্রহণ হবে ওএমআর ফরমে, ছয় পাতার ব্যালটে। এরপর ১৪টি গণনা মেশিনে ৮টি কেন্দ্রে হবে ফলাফল গণনা। ফলাফল ঘোষণা করা হবে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে।
ভিপি প্রার্থীদের মধ্যে কে কোন হলের এবং কোন কেন্দ্রে ভোট দেবেন?
ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল
ভিপি- আবিদুল ইসলাম খান, ইসলামিক স্টাডিজ, শেখ মুজিবুর রহমান হল (উদয়ন স্কুল কেন্দ্র)
জিএস- শেখ তানভীর বারী হামিম, উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ, কবি জসীম উদ্দীন হল (উদয়ন স্কুল কেন্দ্র)
এজিএস- তানভীর আল হাদী মায়েদ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, বিজয় একাত্তর হল (সিনেট ভবন কেন্দ্র)
ছাত্রশিবির (ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট)
ভিপি- মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম), রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শেখ মুজিবুর রহমান হল (উদয়ন স্কুল)
জিএস- এস এম ফরহাদ, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, শেখ মুজিবুর রহমান হল (উদয়ন স্কুল)
এজিএস- মহিউদ্দিন খান, লোক প্রশাসন, বিজয় একাত্তর হল (সিনেট ভবন)
গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ)
ভিপি- আব্দুল কাদের, সমাজকল্যাণ গবেষণা ইনস্টিটিউট, বিজয় একাত্তর হল (সিনেট ভবন কেন্দ্র)
জিএস- আবু বাকের মজুমদার, ভুতত্ত্ব বিভাগ, ফজলুল হক মুসলিম হল, (কার্জন হল কেন্দ্র)
এজিএস- আশরেফা খাতুন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, শামসুন নাহার হল (ইউল্যাব স্কুল)
কোন হলের কত ভোটার
সম/জা/০৯-০৯
আপনার মতামত লিখুন :