ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা: কোথায় কবে উদযাপিত হবে কোরবানির ঈদ
শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে ডুয়েটকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় নতুন উপাচার্যের
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণে সমন্বিতভাবে কাজের আহ্বান বাউবি উপাচার্যের
উপজেলা ও ইউনিয়ন নির্বাচনে গাজীপুরে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ
গাজীপুরে আইনজীবীদের উৎসবমুখর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
এনডিএফ গাজীপুরের আয়োজনে মেডিকেল এথিক্স সেমিনার অনুষ্ঠিত
গাজীপুরে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরল প্রশাসন
কারাগার হতে হবে সংশোধন ও পুনর্বাসনের কার্যকর প্রতিষ্ঠান
গাজীপুর নগরজুড়ে সবুজায়ন অভিযান, বদলে যাচ্ছে নগরীর চিত্র
কাপাসিয়ায় এক পরিবারের পাঁচ খুন: মানবিক দায়িত্বে এগিয়ে এলো জেলা প্রশাসন

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা এলাকায় গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরের দিকে ভৈরব উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী গ্রামের একটি বিল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রায় সাত দিন আগে শিশুটিকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন তার বাবা মেরাজ মিয়া (২৪)। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে একই গ্রামের তাসলিমা বেগম (২০)-এর সঙ্গে মেরাজের বিয়ে হয়। পারিবারিক অশান্তির কারণে কিছুদিন আগে তাসলিমা তার সন্তান তানভিরকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। প্রায় এক সপ্তাহ আগে শিশুটিকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে মায়ের কাছ থেকে নিয়ে যান মেরাজ।
পরদিন মেরাজের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে বা শিশুটিকে খুঁজে পাননি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শিশুটির মা।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা বিলে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরিবারের সদস্যরা সেটি শনাক্ত করেন।
শিশুটির মা তাসলিমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, সন্তানকে নেওয়ার পর থেকেই তার স্বামী নিখোঁজ হয়ে যান। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কয়েকদিন আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং শিশুটির বাবাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
###
আরটি-২৪-০৪
আপনার মতামত লিখুন :