হোটেল-রেস্তোরাঁয় আবাসিক গ্যাস, গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
‘বাউবি শুধু সার্টিফিকেট প্রদানের কারখানা নয়, ডিগ্রি অর্জনের প্রতিষ্ঠান’ – উপাচার্য
এ দেশের শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত -জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি
গাজীপুরে আদালতের আদেশে জমি উদ্ধার, প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দিল প্রশাসন
ইসলামী ব্যাংকিংয়ে দীর্ঘ পথচলা, অভিজ্ঞতার প্রতিচ্ছবি মতিউর রহমান
আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা: ২২ বছর পর কারামুক্ত নুরুল আমিন
রাজেন্দ্রপুরে বাসে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কা, আড়াই বছর পর চালক গ্রেপ্তার
গাজীপুরের বনাঞ্চল রক্ষায় পৃথক ‘গাজীপুর বন বিভাগ’ গঠনের দাবি: ৫ দফা পেশ
গাজীপুর প্রেসক্লাব নির্বাচন: মনোনয়ন ৮ অক্টোবর, ভোট ২৯ অক্টোবর
“ইসলাম ছাড়া সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়” — গাজীপুরে খায়রুল হাসান

গাজায় হামলা আর ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রতিদিনই প্রাণ হারাচ্ছে ফিলিস্তিনিরা। ২৭ মে থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইসরাইলের গুলিতে নিহত হয়েছেন এক হাজার ৭৬০ ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে রয়েছে শিশু ও বৃদ্ধ। আর নিহতরা সবাই আমেরিকা-ইসরাইল সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন নামের কেন্দ্র থেকে ত্রাণ সংগ্রহের জন্য গিয়েছিলেন। মে মাসে এই কেন্দ্র থেকে ত্রাণ বিতরণ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন স্থানে ফিলিস্তিনিদের ওপর নিয়মিত গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই পরিসংখ্যান উঠে এসেছে।
ফিলিস্তিনিদের জন্য কাজ করা জাতিসংঘের সহায়তা সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৯৯৪ জন জিএইচএফ কেন্দ্রের আশপাশে এবং ৭৬৬ জন ত্রাণ আনতে গিয়ে বিভিন্ন রুটে নিহত হয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের বেশিরভাগই হয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর হাতে। এ নিয়ে গত ১ আগস্ট প্রকাশিত হয়েছিল আরেকটি প্রতিবেদন, যেখানে নিহতের সংখ্যা ছিল এক হাজার ৩৭৩ জন। চলতি মাসের শুরুতে প্রকাশিত সংখ্যার তুলনায় এই সংখ্যা কয়েকশ বেশি।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, শনিবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ইসরাইলের হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। এদের মধ্যে ১২ জন ত্রাণপ্রার্থী ছিলেন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় শিশুসহ ১১ জন নিহত হয়েছেন।
এদিকে গাজাজুড়ে হামলা অব্যাহত রেখেছে আইডিএফ। মধ্য গাজার বুরেইজ শরণার্থী শিবিরের একটি বাড়িতে ইসরাইলি যুদ্ধবিমান হামলায় একই পরিবারের চার শিশুসহ নিহত হন ছয়জন ফিলিস্তিনি।
অন্যদিকে, গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানিয়েছেন, শুক্রবার জেইতুনে আহতদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করা জরুরি যানবাহনের ওপর গুলি চালাচ্ছে আইডিএফ। এছাড়া বাসিন্দাদের পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার কিছু অংশ ছেড়ে যেতে বলে কোয়াডকপ্টার থেকে লিফলেট ফেলেছে ইসরাইল। সম্প্রতি এখানকার কয়েকশ বাড়িঘর ধ্বংস করেছে ইসরাইলি সেনারা।
আপনার মতামত লিখুন :