বর্ণিল আয়োজনে বাউবিতে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন
স্মার্ট কৃষির হাতছানি: নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বছরব্যাপী ফসল উৎপাদনে নতুন প্রযুক্তি
এমপির হস্তক্ষেপে জনদাবির মুখে গাজীপুর-কাপাসিয়া রুটে বাস ভাড়া কমলো
টঙ্গীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
টাইম ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে ভাওয়ালে বর্ষবরণ
দায়িত্বশীল নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গাকৃবিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা
বিসিক ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গাজীপুরে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী মেলা
রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ‘পাবলিক টয়লেটে’ পরিণত হচ্ছে গাজীপুর বিআরটি অবকাঠামো
আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে গাকৃবি : গবেষণায় সাফল্যের স্বীকৃতি

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়-এর গাজীপুরস্থ মূল ক্যাম্পাসে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে ০৩ বৈশাখ ১৪৩৩ (১৬ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উৎসবমুখর এ আয়োজনে বৈশাখী শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১০:৩০টায় উপাচার্যের দপ্তরের সামনে থেকে মাননীয় উপাচার্যের নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপাচার্যের বাসভবন সংলগ্ন আমবাগানের বৈশাখী মেলার মাঠে গিয়ে শেষ হয়। পরে দিনব্যাপী প্রাণবন্ত বৈশাখী মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশের একটি সার্বজনীন লোকজ উৎসব, যা জাতির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও শিকড়ের সঙ্গে সংযোগের প্রতীক। নববর্ষ শুধু একটি দিনের উদযাপন নয়- বরং সারা বছর আমাদের আচরণ ও কর্মকাণ্ডে এই সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, নতুন বছর পুরাতন গ্লানি ও অপ্রাপ্তিকে পেছনে ফেলে নতুন আশা, সম্ভাবনা ও স্বপ্ন নিয়ে আসে এবং এ ধরনের আয়োজন পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সংস্কৃতিচর্চাকে আরও বেগবান করে।
এ সময় উপাচার্য বৈশাখী মেলায় আয়োজিত বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। স্টলগুলোতে বাহারি পিঠাপুলি, দেশীয় নানা খাবার ও নান্দনিকভাবে সাজানো সামগ্রী দেখে তিনি মুগ্ধতা প্রকাশ করেন এবং সকলকে মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সাঈদ ফেরদৌস এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাঃ শামীম।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টি.এম আহমেদ হুসেইন, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, শিক্ষকবৃন্দ, বিভাগের পরিচালক/বিভাগীয় প্রধানসহ মূল ক্যাম্পাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ, যেখানে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির রঙিন উপস্থাপনা উপস্থিত সবার মাঝে আনন্দ ও সম্প্রীতির আবহ সৃষ্টি করে।
দিনব্যাপী মেলা শেষে বিকাল ৩:০০টায় আমবাগানে বাউল শিল্পী এবং বাউবি পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যা নববর্ষের আনন্দকে আরও বর্ণিল করে তোলে।
###
সিইত-১৬-০৪
আপনার মতামত লিখুন :