৪৬ বছর আগের স্মারক ছুঁয়ে স্মৃতিমেদুর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বাউবিতে ‘OBE কারিকুলাম উন্নয়ন’ বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা: কোথায় কবে উদযাপিত হবে কোরবানির ঈদ
শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে ডুয়েটকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় নতুন উপাচার্যের
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণে সমন্বিতভাবে কাজের আহ্বান বাউবি উপাচার্যের
উপজেলা ও ইউনিয়ন নির্বাচনে গাজীপুরে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ
গাজীপুরে আইনজীবীদের উৎসবমুখর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
এনডিএফ গাজীপুরের আয়োজনে মেডিকেল এথিক্স সেমিনার অনুষ্ঠিত
গাজীপুরে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরল প্রশাসন
কারাগার হতে হবে সংশোধন ও পুনর্বাসনের কার্যকর প্রতিষ্ঠান

গাজীপুরের সাতাশ মৌজায় জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান এক পর্যায়ে রূপ নেয় গভীর আবেগের মুহূর্তে। উন্নয়ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকতা চলাকালীন সময়ে ১৯৭৮ সালের একটি ঐতিহাসিক স্মারক হাতে পেয়ে কিছুক্ষণের জন্য নীরব হয়ে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নির্মাণাধীন ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এ সময় গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন একটি ঐতিহাসিক স্মারক, যা ১৯৭৮ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের গাজীপুর সফরের স্মৃতিচিহ্ন বহন করে।
স্মারকটি হাতে নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী কয়েক মুহূর্তের জন্য স্থির হয়ে যান। উপস্থিতদের ভাষ্যমতে, তিনি স্মারকটির দিকে গভীরভাবে তাকিয়ে থাকেন এবং যেন অতীতের কোনো স্মৃতিতে ডুবে যান। মুহূর্তটি চারপাশের পরিবেশকে এক ধরনের নীরবতায় ঢেকে ফেলে।
রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেও ওই দৃশ্যটি হয়ে ওঠে এক ভিন্ন আবেগের প্রকাশ- যেখানে একজন রাষ্ট্রপ্রধানের বদলে এক সন্তানের হৃদয়ের অনুভূতি ফুটে ওঠে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্মারকটি গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীর চোখেমুখে আবেগের ছাপ স্পষ্ট ছিল। কিছু সময়ের জন্য পুরো অনুষ্ঠানস্থলে এক ধরনের নীরবতা নেমে আসে, যা উপস্থিত অনেকের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।
পরে প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের এই ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “এই উপহারের বস্তুগত মূল্য নয়, এর পেছনের ইতিহাস ও অনুভূতিই আমার কাছে সবচেয়ে বড়।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরাও এই উদ্যোগকে ব্যতিক্রমী ও অর্থবহ বলে মন্তব্য করেন। তাঁদের মতে, উন্নয়নমূলক একটি অনুষ্ঠানে ইতিহাস ও স্মৃতিকে যুক্ত করে এমন উপহার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
গাজীপুরের সাতাশ মৌজার এই আয়োজন শেষ পর্যন্ত শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং তা পরিণত হয় ইতিহাস, স্মৃতি ও আবেগের এক অনন্য
আপনার মতামত লিখুন :