গাজীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতের মশারি বিতরণ
অধিভুক্ত সব কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
বিমান ও পর্যটন খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ চায় সংসদীয় কমিটি
জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে বাউবির সঙ্গে MAGENDA দলের আলোচনা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের খুলনা বিভাগীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু
হোটেল-রেস্তোরাঁয় আবাসিক গ্যাস, গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
‘বাউবি শুধু সার্টিফিকেট প্রদানের কারখানা নয়, ডিগ্রি অর্জনের প্রতিষ্ঠান’ – উপাচার্য
এ দেশের শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত -জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি
গাজীপুরে আদালতের আদেশে জমি উদ্ধার, প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দিল প্রশাসন
ইসলামী ব্যাংকিংয়ে দীর্ঘ পথচলা, অভিজ্ঞতার প্রতিচ্ছবি মতিউর রহমান

বার্তাবিডি প্রতিবেদক, শ্রীপুর: গাজীপুরের শ্রীপুরে দু-পক্ষের মারামারির ভিডিও ধারণ করার সময় বেসরকারি টেলিভিশন নিউজ২৪ এ কর্মরত সাংবাদিক মো. আল আমিনের ওপর হামলা মামলার আসামি জাহিদকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার জাহিদ (৩০) শ্রীপুর চৌরাস্তা এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে। পলাতক আসামিরা হলেন, জাহিদের সহোদর ভাই ফয়সাল (২৫) ও শ্রীপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে সম্রাট (২৭)।
হামলার শিকার আল আমিন পৌর এলাকার ভাংনাহাটি গ্রামের মৃত আব্দুল হেকিমের ছেলে।
শুক্রবার (২০ আগস্ট) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে শ্রীপুর চৌরাস্তা সংলগ্ন টেংরা রাস্তার মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক সালাউদ্দিন রাসেল।
তিনি আরও জানান, মামলা রুজু হওয়ার পর থেকেই আসামিরা পলাতক ছিলেন। গতরাতে মামলার ২নং আসামি জাহিদ নিজ বাড়িতে আসার খবরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২১ আগস্ট) দুপুরের দিকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, মারামারির ঘটনায় আহত আল আমিন বাদী হয়ে মামলা করার পর থেকেই আসামিদের ধরতে পুলিশী অভিযান চলমান ছিল। ইতিমধ্যে ২নং আসামিকে ধরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। দ্রুতই অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ, গত ২৫ জুলাই (রোববার) সন্ধ্যায় শ্রীপুর চৌরাস্তায় মাওনা রোডে মারামারি হচ্ছে- এমন খবর পেয়ে আল আমিন সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে যান এবং দু-পক্ষের মারামারির ভিডিও ধারন করতে থাকেন। এসময় অভিযুক্তরা তাকে বেধরক মারধর করে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। একপর্যায়ে তারা ধারালো দা দিয়ে আল আমিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ দিলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে উঠে দাঁড়ানোর পর আবারও মাথায় কোপ দিলে মাথা ও কানে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে অধিক রক্তক্ষরণে অচেতন হয়ে পড়েন। এসময় তার মোবাইল ফোন নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
পরে আশেপাশের লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে তাঁর মাথায় ৮টি ও কানে ২০টি সেলাই দেয়া হয়।
আপনার মতামত লিখুন :