সর্বশেষ :

যখন তারা দুর্নীতির ট্রেনিং দেয় তখন জামায়াত তার কর্মীদের মানুষ গড়ার দেশ গড়ার ট্রেনিং দিয়েছে


বার্তাবিডি রিপোর্ট
প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৩, ২০২৫ । ১:২৪ অপরাহ্ণ
যখন তারা দুর্নীতির ট্রেনিং দেয় তখন জামায়াত তার কর্মীদের মানুষ গড়ার দেশ গড়ার ট্রেনিং দিয়েছে

বাড্ডা থানা জামায়াতের উদ্যোগে গণ সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ০৩ অক্টোবর (শুক্রবার) বাড্ডা ইউলুপে বিকাল ৩ঘটিকায় উক্ত গণ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ডাকা মহানগর উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

বাড্ডা উত্তর থানা আমীর মাওলানা কুতুব উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা ১১ (রামপুরা-বাড্ডা-বাটারা) আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী এ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মো. নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ঢাকা মহানগর উত্তরের শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি মো. মহিবুল্লাহ, সভাপতিত্ব করেন বাড্ডা উত্তর থানা আমীর মাওলানা কুতুব উদ্দিন প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে সেলিম উদ্দিন বলেন, বিগত সময়গুলোতে তারা যখন দুর্নীতির ট্রেনিং দেয় তখন জামায়াত তার কর্মীদের মানুষ গড়ার, দেশ গড়ার ট্রেনিং দিয়েছে। জামায়াত সবসময় সেয়ানে সেয়ানে খেলতে পছন্দ করে, সেজন্য লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড দরকার।

তিনি আরো বলেন, যে দল চেয়ার নিয়ে, খাবারের প্যাকেট নিয়ে কাড়াকাড়ি, মারামারি করে তারা দেশ চালাতে পারবে? কিন্তু জামায়াতের কর্মীরা, নেতারা সুশৃঙ্খল। সুতরাং জামায়াতের দ্বারাই দেশ পরিচালনা করলে আপনারাই উপকৃত হবেন।

তিনি আরো বলেন, অনেকে শরিয়া আইন সম্পর্কে বলে, শরীয়া আইন তো হলো নামাজ পড়া, হজ করা, দুর্নীতি না করা, চাঁদাবাজী না করা, খুনখারাবী না করা। শরিয়া আইন থাকলে ঘুষ থাকবে না। জামায়াতকে ক্ষমতায় আনেন দুর্নীতি, ঘুষ একদম নির্মুল করে দিবো, সিন্ডিকেট বন্ধ হয়ে যাবে। এগুলোই তো শরিয়া আইন। এগুলো বাস্তবায়ন হলে কার লাভ আপনারাই বলেন?

অনেক তো চালাইলেন, এবার আপনারা কিছুদিন রেষ্টে যান। আমরা কিছুদিন দেশ চালাই। দেশের মানুষ একটু সুখ শান্তি উপভোগ করুক।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, রাজনীতি করলে পিআর বুঝা লাগবে, আপনাদের অস্তিত্ব টিকাতে হলে পিয়ার দরকার হবে। পিআর এখন না চাইলে পরে আবার এর জন্য আন্দোলন কইরেন না। আমরা চাই সবাই মিলে দেশটা গড়ে তুলি। ইন্টারমিডিয়েট পাশ ছাত্ররা চাইলে তারা পার্টটাইম চাকরি করতে পারবে। আমরা সেটার ব্যবস্থা করবো।

সবার জন্য স্বাস্থ্য কার্ড বানিয়ে দেবো, উন্নত বিশ্বের কাছে চিকিৎসার জন্য যেতে হবে না, আমরা বড় বড় ডাক্তার বানাবো।

জনাব সেলিম উদ্দিন আরো বলেন, নামাজের সময় হলে

দোকানপাট সরকারি বাহিনী পাহারা দেবে। শুধু যাকাতের টাকা দিয়ে প্রায় ৮০% সমস্যা দূর হয়ে যাবে। যাকাত কায়েম হলে ক’দিন পর যাকাত নেয়ার মত লোক পাওয়া যাবে না। শুধু ৫ বছরের একটা চ্যালেঞ্জ।

তিনি ডাকসু সম্পর্কে বলেন, ঢাবিতে ছাত্ররা যদি পারে আমরা কেন পারবো না। তারা একের পর এক ছাত্রদের সমস্যা দূর করছে অল্প কয়েকদিনেই।

শারদীয় দূর্গা পূজা সম্পর্কে বলেন, হিন্দুদের পূজায় এবার যেমন সুশৃঙ্খলভাবে পালন হয়েছে আগামীতেও আরো সুন্দর ও সুশৃঙ্খল হবে। এবার হাসিনা নাই পূজায় ঝামেলাও নাই। আমরা ক্ষমতায় আসলে হিন্দুরা আরো শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ধর্মীয় কাজ করতে সহায়তা পাবে।

সমাবেশ শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের মানচিত্র

সর্বশেষ সংবাদ